10:32 am, Tuesday, 3 November 2026

১২০ কিলোমিটার বেগে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানছে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু

১২০ কিলোমিটার বেগে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানছে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মধ্যরাতে রাজ্যটির প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির ল্যান্ডফল শুরু হয়। এ সময় এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

রাত ১টা ৩০ মিনিটে প্রকাশিত আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এর কেন্দ্র ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল। আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের আশপাশ দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বুধবার সকাল পর্যন্ত উপকূল ও এর আশপাশের এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ আরও জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টায় দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এদিকে বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর ফলে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে সতর্ক করেছে আইএমডি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

আশুলিয়ায় সকাল থেকে শ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

১২০ কিলোমিটার বেগে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানছে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু

Update Time : 09:29:52 am, Tuesday, 3 November 2026

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মধ্যরাতে রাজ্যটির প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির ল্যান্ডফল শুরু হয়। এ সময় এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

রাত ১টা ৩০ মিনিটে প্রকাশিত আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এর কেন্দ্র ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল। আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের আশপাশ দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বুধবার সকাল পর্যন্ত উপকূল ও এর আশপাশের এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ আরও জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টায় দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এদিকে বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর ফলে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে সতর্ক করেছে আইএমডি।