চট্টগ্রাম বন্দরের মূল নেভিগেশনাল চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিতে নজরদারি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের মূল নেভিগেশনাল চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় নিরাপদ একটি বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাণ্ডারী-৮ ও ৩২টি স্থানীয় বোট এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ১টি জাহাজ ও ১টি বোট অংশ নিয়েছে। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, কার্যক্রম চলাকালে নেভিগেশনাল চ্যানেল ও জাহাজ চলাচলের পথে মাছ ধরার জাল স্থাপনের ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য নেভিগেশনাল ঝুঁকি সম্পর্কে স্থানীয় মাঝি-মাল্লা ও জেলেদের অবহিত করা হয়।
বিশেষ করে বেহন্দি জালসহ অন্যান্য অবৈধ জাল দ্রুত অপসারণ এবং ভবিষ্যতে জাহাজ চলাচলের পথে কোনো ধরনের জাল স্থাপন না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়। নিরাপদ নেভিগেশন সম্পর্কে স্থানীয় জেলে ও নৌযানচালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে জাহাজ চলাচলের নির্ধারিত পথ, নেভিগেশনাল চানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় দায়িত্বশীলভাবে নৌযান পরিচালনা এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপদ নেভিগেশন নিশ্চিতকরণ এবং চানেলকে জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় জেলে ও নৌযানচালকদের সহযোগিতায় এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম, নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য নির্বিঘ্ন রাখা এবং নৌযান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সব মাঝি-মাল্লা, জেলে ও নৌযান মালিকদের নেভিগেশনাল চ্যানেল ও জাহাজ চলাচলের পথে কোনো ধরনের অবৈধ জাল স্থাপন না করার এবং নিরাপদ নেভিগেশন নিশ্চিতকরণে বন্দর কর্তৃপক্ষকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।





















