কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কাশিনগর ডিগ্রি কলেজে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পাওয়া আবুল কালামের বিরুদ্ধে শিক্ষাগত সনদে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ১৯৯৪ সালে কাশিনগর বিএম হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করা আবুল কালাম নিজের জন্মতারিখ ১০ বছর কমিয়ে অষ্টম শ্রেণি পাসের সনদ দেখিয়ে ২০২২ সালে অফিস সহায়ক পদে যোগদান করেন।
পরে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে শিক্ষাগত যোগ্যতা চতুর্থ শ্রেণি পাস উল্লেখ করা হয়। নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, আবুল কালামের পূর্বের এনআইডি তথ্য অনুযায়ী জন্মতারিখ ২৫ মে ১৯৭৮। ওই তথ্য অনুযায়ী ২০০৮ সালে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। কিন্তু ২০২৩ সালে সংশোধন করে জন্মতারিখ ২৫ মে ১৯৮৮ করা হয়। অর্থাৎ জন্মতারিখে ১০ বছর কমানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালে অফিস সহায়ক পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় আবুল কালাম একমাত্র প্রার্থী থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়। পরে ২০২১ সালে পুনরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলে আবুল কালামসহ তিনজন আবেদন করেন। ২০২২ সালে কমিটি আবুল কালামকে ওই পদে নিয়োগ দেয়। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের সুপারিশে তিনি ওই পদে নিয়োগ পান।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ইউনুছ বলেন, ‘আবুল কালাম ১৯৯৪ সালে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পাস করেছেন। অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন সেলিম বলেন, নিয়োগ কমিটির সদস্যসচিব ছিলাম। ডিজির প্রতিনিধি হিসেবে চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ শিব প্রসাদ দাশ গুপ্ত তার নিয়োগের ব্যাপারে সুপারিশ করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম বলেন, চাকরিটি আমার অতি প্রয়োজন থাকায় আইডি কার্ড সংশোধন করে যোগদান করেছি।
















