চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেছেন, দেশের প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় কমোডিটি ব্রোকারেজ লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় আমিরুল হক বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর মধ্য দিয়ে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। শুধু চট্টগ্রাম নয়, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দুবাই, চীন, ভারত, জাপান, তুরস্ক, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
চেম্বার সভাপতি বলেন, চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কয়েক বছর আগে দেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে নানা কারণে সেটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সিএসই নতুন করে তৎপর হয়।
গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম চেম্বার ও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্যাপিটাল মার্কেট: গ্রোথ ডায়ালগ—পাথওয়ে টু লিস্টিং’ শীর্ষক সংলাপে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। আমিরুল হক বলেন, ওই অনুষ্ঠানে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর বিষয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
এরই মধ্যে বিএসইসির সভায় কমোডিটি এক্সচেঞ্জ নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আশা করছি, কয়েক মাসের মধ্যে দেশের প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হবে। এ উদ্যোগের জন্য চিটাগাং চেম্বারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিএসইসি, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।





















