5:17 am, Monday, 9 November 2026

ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালে মোমবাতির আলোয় চলছে জরুরি চিকিৎসা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বিদ্যুৎ নেই, জেনারেটরও অচল। পর্যাপ্ত বিকল্প আলোর ব্যবস্থা না থাকায় মোমবাতির আলোয় চলছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা। গত শনিবার রাত ১১টা ৮ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে গেলে পেটব্যথার এক রোগীকে মোমবাতির আলোয় চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি পা কেটে যাওয়া এক রোগীর ক্ষতস্থানে সেলাইও দেওয়া হয়। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, ঈশ্বরগঞ্জে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

প্রতিবার ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। এতে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে। পিডিবির ঈশ্বরগঞ্জের আবাসিক প্রকৌশলী মো. গোলাম সামদানী বলেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় সাড়ে ৭ থেকে ৮ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৩ থেকে ৪ মেগাওয়াট।

হাসপাতালের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সাগর মোদক বলেন, জরুরি বিভাগের আইপিএস প্রায় আধা ঘণ্টা চলে। তবে জেনারেটর চালানোর জন্য সরকারি তেলের বরাদ্দ নেই। হাসপাতালের এক কর্মচারীর দাবি, জেনারেটরটি দীর্ঘদিন ধরে অচল। এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফেরদৌসী আক্তার চমন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাকির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন ফখরুল ইসলাম টিপু বলেন, জরুরি বিভাগে বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকার কথা। তারপরও কেন মোমবাতি জ্বালাতে হচ্ছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

গোপনে বিয়ে করেছেন নিহা, কাবাঘরে জীবনসঙ্গীকে নিয়ে প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী

ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালে মোমবাতির আলোয় চলছে জরুরি চিকিৎসা

Update Time : 01:53:29 am, Monday, 21 September 2026

বিদ্যুৎ নেই, জেনারেটরও অচল। পর্যাপ্ত বিকল্প আলোর ব্যবস্থা না থাকায় মোমবাতির আলোয় চলছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা। গত শনিবার রাত ১১টা ৮ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে গেলে পেটব্যথার এক রোগীকে মোমবাতির আলোয় চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি পা কেটে যাওয়া এক রোগীর ক্ষতস্থানে সেলাইও দেওয়া হয়। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, ঈশ্বরগঞ্জে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

প্রতিবার ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। এতে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে। পিডিবির ঈশ্বরগঞ্জের আবাসিক প্রকৌশলী মো. গোলাম সামদানী বলেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় সাড়ে ৭ থেকে ৮ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৩ থেকে ৪ মেগাওয়াট।

হাসপাতালের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সাগর মোদক বলেন, জরুরি বিভাগের আইপিএস প্রায় আধা ঘণ্টা চলে। তবে জেনারেটর চালানোর জন্য সরকারি তেলের বরাদ্দ নেই। হাসপাতালের এক কর্মচারীর দাবি, জেনারেটরটি দীর্ঘদিন ধরে অচল। এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফেরদৌসী আক্তার চমন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাকির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন ফখরুল ইসলাম টিপু বলেন, জরুরি বিভাগে বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকার কথা। তারপরও কেন মোমবাতি জ্বালাতে হচ্ছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।