3:53 am, Thursday, 24 September 2026

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন গড়ে ৭০ জনের বেশি রোগী। এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। স্বাস্থ্যবিভাগের কীটতাত্ত্বিক জরিপে শহরের ৩৬ শতাংশ বাড়িতেই মিলেছে এডিসের লার্ভা। প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ পৌর এলাকার বাসিন্দাদের।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রেহাইচর মহল্লা-আবাসিক এলাকার ডোবায় মশার রাজত্ব। স্থানীয়রা বলছেন, এলাকার প্রতিটি বাড়িতেই এখন ডেঙ্গু রোগী।

শুধু রেহাইচর নয়, পৌর এলাকার মসজিদপাড়া, নিউ ইসলামপুর, উদয়সংঘের মোড়, চরজোত প্রতাপ, আরামবাগসহ আরও কিছু এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে।

সম্প্রতি সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর-এর একটি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় জরিপ চালিয়ে এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পেয়েছে ৩৬ ব্রুটো ইনডেক্স। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী, এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব ২০ ব্রুটো ইনডেক্সের বেশি হলেই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জমির মো. হাসিবুস সাত্তার বলেন, ‘জেলা হাসপাতালে দিনে গড়ে ৭০ জনের বেশি ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিচ্ছেন। ভর্তি রোগীদের বেশিরভাগই ডেন-ফোর ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। অনেকের খুব রক্তের প্লাটিলেট কমে অবস্থার অবনতি হচ্ছে দ্রুত।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসসহ জনসচেতনতা তৈরিতে ৮টি টিম গঠন করে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।’

জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় আড়াই হাজার ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

দেশীয় চাহিদা মেটাতে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

Update Time : 02:42:26 am, Thursday, 24 September 2026

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন গড়ে ৭০ জনের বেশি রোগী। এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। স্বাস্থ্যবিভাগের কীটতাত্ত্বিক জরিপে শহরের ৩৬ শতাংশ বাড়িতেই মিলেছে এডিসের লার্ভা। প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ পৌর এলাকার বাসিন্দাদের।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রেহাইচর মহল্লা-আবাসিক এলাকার ডোবায় মশার রাজত্ব। স্থানীয়রা বলছেন, এলাকার প্রতিটি বাড়িতেই এখন ডেঙ্গু রোগী।

শুধু রেহাইচর নয়, পৌর এলাকার মসজিদপাড়া, নিউ ইসলামপুর, উদয়সংঘের মোড়, চরজোত প্রতাপ, আরামবাগসহ আরও কিছু এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে।

সম্প্রতি সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর-এর একটি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় জরিপ চালিয়ে এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পেয়েছে ৩৬ ব্রুটো ইনডেক্স। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী, এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব ২০ ব্রুটো ইনডেক্সের বেশি হলেই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জমির মো. হাসিবুস সাত্তার বলেন, ‘জেলা হাসপাতালে দিনে গড়ে ৭০ জনের বেশি ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিচ্ছেন। ভর্তি রোগীদের বেশিরভাগই ডেন-ফোর ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। অনেকের খুব রক্তের প্লাটিলেট কমে অবস্থার অবনতি হচ্ছে দ্রুত।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসসহ জনসচেতনতা তৈরিতে ৮টি টিম গঠন করে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।’

জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় আড়াই হাজার ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।