মা ইলিশ রক্ষায় আজ মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এই সময়ে সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। দেশের ৬টি অভয়াশ্রম ও ৩১ জেলায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাবে প্রশাসন। এদিকে, সঠিক তালিকার মাধ্যমে দ্রুত সহায়তা বিতরণের তাগিদ জেলেদের।
চাঁদপুরের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, ‘ইলিশের অভয়াশ্রমের ৬ জেলাসহ মোট ৩৮ জেলায় সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলবে ২২ দিন। চাঁদপুরের ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনার একশো কিলোমিটার এলাকার অভয়াশ্রমে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদী ও সড়কে নজরদারি বাড়াচ্ছে প্রশাসন। এছাড়া, মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে স্থাপন হবে পাঁচটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প।’
এদিকে, ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা ঘিরে দুশ্চিন্তায় লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের লক্ষাধিক জেলে। সরকারি সহায়তা বাড়ানো এবং সঠিক তালিকা কোরে সহায়তা বিতরণ চান তারা। এছাড়া ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখারও দাবি জেলেদের।
শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, ‘শরীয়তপুরের নাওডোবা থেকে মাঝেরচর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার ৮০ কিলোমিটার এলাকায়ও মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও সচেতনতা মূলক সভা করা হচ্ছে।’
মাছ ধরা বন্ধের ২২ দিন প্রকৃত জেলেদের ভিজিএফের চাল বিতরণের দাবি জানিয়েছেন মোংলা ও কুয়াকাটার জেলেরা। এছাড়া, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে দেশের জলসীমায় প্রতিবেশী দেশের জেলেদের অনুপ্রবেশ বন্ধের দাবি উপকূলের জেলেদের।




















